এপোস্টিল পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য

  • আন্তর্জাতিক বৈধতা: হেগ কনভেনশনের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ডকুমেন্টের বৈধতা নিশ্চিত করে।
  • সরকারি সত্যায়ন: এটি সরকারি সংস্থা কর্তৃক জারি করা একটি প্রামাণ্য স্ট্যাম্প যা নথির সত্যতা প্রত্যয়ন করে।
  • ঝামেলা ও সময় সাশ্রয়: এর ফলে বিদেশে সনদের জন্য অতিরিক্ত লিগালাইজেশন বা জটিল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না।
  • ডিজিটাল যাচাই: এপোস্টিল সনদের সত্যতা বিশ্বজুড়ে যেকোনো স্থান থেকে ডিজিটালি যাচাই করা সম্ভব।
  • প্রযোজ্য নথি: শিক্ষা সনদপত্র (সার্টিফিকেট, মার্কশিট, ডিপ্লোমা), জন্ম নিবন্ধন, বিবাহ সনদ ও অন্যান্য সরকারি কাগজ।

সত্যায়নের প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী

বিশেষ সুবিধা: এপোস্টিল পদ্ধতিতে সত্যায়িত সার্টিফিকেট পুনরায় অন্য কোথাও সত্যায়ন বা নোটারি করার প্রয়োজন নেই।

আবেদন ফি ও পেমেন্ট

আবেদন ফি: ৳ ২০০/-

সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে।

মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) এর মাধ্যমেও পেমেন্ট দেয়া যাবে।

এপোস্টিল এর জন্য আবেদন

আপনার সংশ্লিষ্ট একাডেমিক সার্টিফিকেট এর কপি আপলোড করুন

অনুগ্রহ করে আপলোড শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।